Home » প্রধান খবর » রিকশা চালক থেকে ইয়াবা ডন, ভূট্টোর কোটি টাকার ‘প্রাসাদ’

রিকশা চালক থেকে ইয়াবা ডন, ভূট্টোর কোটি টাকার ‘প্রাসাদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউটার্ন.কম ২ জুন : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ একাধিক তালিকায় থাকা ইয়াবা গডফাদার হিসেবে আলোচিত নুরুল হক ভূট্টোর দুইটি রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি ক্রোক করেছে পুলিশ। ইয়াবা ব্যবসার টাকায় গড়ে উঠা তিন ব্যবসায়ীর এসব ভবন আদালতের নির্দেশে ক্রোক করা হয়। এখন থেকে এসব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করবে পুলিশ।

ক্রোক করা এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার বেশি হবে জানিয়েছে অভিযানকারীরা। শনিবার সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ক্রোক অভিযান।

স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ পাওয়া তিন ইয়াবা কারবারিরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ সদরের নাজির পাড়ার এজাহার মিয়া (৭০), তার দুই ছেলে নুরুল হক ভুট্টো (৩২) ও নূর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী (৩৫)।

এদের মাঝে নুরুল হক ভুট্টো সরকারের তৈরি করা ইয়াবা গডফাদারদের তালিকার শীর্ষে রয়েছে। আর গত দুই মাস আগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন অপর অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম টেকনাফের নাজির পাড়া এলাকায় ইয়াবার টাকায় বানানো রাজপ্রসাদের মতো বাড়িগুলোতে অভিযান চালায়। এসময় তিন ইয়াবা কারবারির দোতলা বাড়ি মালামালসহ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। এসময় বাড়িতে থাকা লোকজনকে বের করে দেয়া হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই প্রথম আদালতের নির্দেশে শনিবার সকালে তিন ইয়াবা কারবারির বিলাসবহুল বাড়ি ক্রোক করা হয়েছে। এই বাড়িগুলো এখন পুলিশের হেফাজতে থাকবে। আদালতে নির্দেশে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। যে বাড়িগুলো ক্রোক করা হয়েছে তারা এক সময় রিকশা ও ভ্যান চালক ছিল। এখন তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক।

তিনি আরো বলেন, সীমান্তে লবণ চাষি, দিন মজুর, রিকশা ও ভ্যান চালকরা ইয়াবা বেচাকেনা করে টেকনাফে রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি বানিয়েছে। সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হলে এসব বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারিরা। আবার অনেকে গ্রেফতার ও বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। ইয়াবার টাকায় যারা অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদেরও একই পরিণতি হবে বলে উল্লেখ করেন ওসি।

নিউটার্ন.কম/এআর

0 Shares