Home » খেলাধুলা » হারের নতুন রেকর্ড পাকিস্তানের

হারের নতুন রেকর্ড পাকিস্তানের

ক্রীড়া ডেস্ক, নিউটার্ন.কম ১ জুন : দ্বাদশ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান শুধু ব্যাটিং ব্যর্থতার উপাখ্যানই রচনা করেনি, সঙ্গী করেছে একাধিক বিব্রতকর রেকর্ড।

ট্রেন্ট ব্রিজে শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের তোপে পড়ে ২১.৪ ওভারে মাত্র ১০৫ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেটি পেরিয়ে যায় ৭ উইকেট আর ২১৮ বল হাতে রেখে।

চলুন দেখে নেওয়া যাক এই ম্যাচের কিছু রেকর্ড:

*২১৮ বল বাকি থাকতে হেরেছে পাকিস্তান। বল বাকি রেখে বিশ্বকাপে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় হার। এমনকি ওয়ানডেতেই এর চেয়ে বড় হার তাদের আছে মাত্র একটি। ১৯৯৩ সালে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তারা হেরেছিল ২২৫ বল বাকি থাকতে। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের আগের বড় হার ছিল ১৭৯ বল বাকি থাকতে, ১৯৯৯ সালে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

*এই ম্যাচের ১০৫ রান বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। আর সর্বনিম্ন ৭৪, ১৯৯২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। যদিও ৭৪ রানে অলআউট এবং প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১০ উইকেটে হারের পর সেবার সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইমরান খানের পাকিস্তান।

*আইসিসির পূর্ণ সদস্য প্রথম আট দলের কাউকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০৫ বা এর কম রানে অলআউট করেছিল সবশেষ ১৯৯৬ সালে। সেবার ব্রিসবেনে বেনসন অ্যান্ড হেডেজ ওয়ার্ল্ড সিরিজে তারা শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করেছিল ১০২ রানে।

*পাকিস্তান এদিন ৭ উইকেট হারিয়েছে শর্ট অথবা শর্ট অব অ্যা গুড লেংথ ডেলিভারিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা মোট বল করেছে ১৩০টি, এর মধ্যে শর্ট অথবা শর্ট অব অ্যা গুড লেংথ ডেলিভারি ছিল ৬৮টি, যা মোট বলের ৫২ শতাংশ। এমন ডেলিভারিতে জেসন হোল্ডার ৩টি, আন্দ্রে রাসেল ২টি, শেলডন কটরেল একটি এবং ওশানে টমাস নিয়েছেন একটি উইকেট। টমাস আরো ৩ উইকেট নিয়েছেন অন্য লেংথের বলে।

*এই নিয়ে টানা ১১ ওয়ানডে ম্যাচ হারল পাকিস্তান। বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচটি ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি ওয়ানডে হেরেছিল তারা। ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সবচেয়ে দীর্ঘ পরাজয় যাত্রা এটিই। ১৯৮৭ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৮৮ সালের মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ হার ছিল আগের রেকর্ড।

*এই ম্যাচে ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে বিশ্বকাপে ক্রিস গেইলের ছক্কাসংখ্যা হয়েছে ৪০টি, যা বিশ্বকাপে কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ। এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে সমান ৩৭টি ছক্কা নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গেইল। ২০১৫ বিশ্বকাপে গেইল ছক্কা মেরেছিলেন ২৬টি।

*এই ম্যাচের ৫০ রানসহ ওয়ানডেতে গেইল পঞ্চাশ বা এর বেশি রান করলেন টানা ছয় ইনিংসে। ওয়ানডে ইতিহাসে যা যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার ওপরে আছেন শুধু জাভেদ মিয়াঁদাদ। ১৯৮৭ সালে মিয়াঁদাদ পঞ্চাশ বা এর বেশি রান করেছিলেন টানা নয় ইনিংসে। গেইল তার শেষ ছয় ইনিংসে রান করেছেন ৫৪৭, আর ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৪৭টি।

নিউটার্ন.কম/এআর

0 Shares